বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:০৯ পূর্বাহ্ন

রাজিবুলের হাত থেকে কবে মুক্তি পাবে পূর্বধলার সাধারণ মানুষ!

রাজিবুলের হাত থেকে কবে মুক্তি পাবে পূর্বধলার সাধারণ মানুষ!

 নিজস্ব সংবাদদাতা :নেত্রকোনার পূর্বধলায় রাজিবুলের হাত থেকে কবে মুক্তি পাবে পূর্বধলার সাধারন মানুষ এমন প্রশ্ন পূর্বধলার জনপ্রতিনিধি, কর্মকর্তা, সাধারণ শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের মাঝে। জানা যায়, রাজিবুল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্মানী মানুষের সম্মান নিয়ে টানাহেচড়া করে ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রক্রিয়া করে নিজের স্বার্থ হাসিল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় একাধিক জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক সমাজ, সরকারী কর্মকর্তাসহ অনেকে। মান ইজ্জতের ভয়ে কেউ কিছু বলতেও চায় না। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে চুরি, অন্যের টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয় উপজেলা পরিষদ থেকে ঘাগড়া ইউনিয়নে মেঘশিমুল মুলগাওঁ মসজিদের আইপিএস দেওয়া হলে তা তিনি মসজিদে না দিয়ে আত্মসাত করেছেন। তারই প্রেক্ষিতে গত ১০ জুলাই ২০২৩ তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কর্তৃক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয় মসজিদের আত্মসাতকৃত আইপিএস ব্যাটারী মসজিদ কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করলেও তিনি আজও তা বুঝিয়ে দেননি। রাজিবুলের ব্যাপারে অনেকে আঙ্গুল তুলে বলেন, যেখানে রাষ্ট্র ও সমাজে বসবাসরত মানুষগুলো সম্পুর্ণ অসহায়। সরকারের অবাধ তথ্য সরবরাহের সুযোগে সমাজে এক শ্রেনীর মানুষ নামের মুখোশধারী মানুষরা আজ সমাজের সম্মানী মানুষ গুলোকে টার্গেট করে নিজেদের রোজি রোজগারে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। এরা সরকারের তথ্য সংগ্রহ করে বিকৃত তথ্যের বিকাশ ঘটিয়ে সমাজকে বিভ্রান্ত করে রাষ্ট্রকে করছে প্রশ্নের মুখোমুখি। এধরণের তথ্য সন্ত্রাসীদের সীমাহীন দৌরাত্ম আজ পুর্বধলাবাসীকে আতংকের মধ্যে রেখেছে। এরই মধ্যে আর এক শ্রেনীর মানুষ আছে যারা পুর্বশত্রুতার জেরে এই তথ্যসন্ত্রাসীকে দিয়ে যাচ্ছে সমর্থন। বেশ ক’বছর ধরেই নেত্রকোনার পুর্বধলা উপজেলার রাজিবুল ইসলাম রাজীব মানবিক মানবের পরিচয়ে ফেইসবুকে তথ্য সন্ত্রাসের নামে মানুষের ইজ্জত হরনের ভীতি প্রদর্শন করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। সে নিজেকে মুক্তিযোদ্বার সন্তান পরিচয় দিয়ে বর্তমান বিভিন্ন শ্রেরীর লোকজনের ইমোশানকে কাজে লাগিয়ে নিজের অস্তিত্বের বিস্তার ঘটাচ্ছে।

তার বিভিন্ন অপরাধ কর্মের প্রমান হিসাবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হতেও হয়েছে তাকে। দীর্ঘদিন অসুস্থ অবস্থায়ও মনিুষের ইমোশনকে কাজে লাগিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে অনেক টাকা। সুস্থ হয়েও অব্যাহত রেখেছে তথ্য সন্ত্রাস। শুধু তাই নয় বিধাতার শাস্তির মুখেও সে ভূলে যায়নি তার অতীতের অপকর্মের কথা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সরকারের উন্নয়নের কর্মকান্ড বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও রাজনীতিবিদসহ নানা শ্রেনি পেশার মানুষকে টার্গেট করে সে তার কর্মকান্ড পরিচলনা করে আসছে। এতে অনেক সম্মানী মানুষগুলো নিজেদের সম্মান রক্ষার্থে অসহায়ের মতো তার অন্যায় দাবীকে মেনে নিতে বাধ্য হয়। তার এই তথ্য সন্ত্রাসের প্রথম স্বীকারে পরিনত পুর্বধলা কলেজের শিক্ষকগণ। এরপর থেকে একে একে জন প্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তাসহ রাজনীতিবিদরাও রেহাই পায়নি তার তথ্য সন্ত্রাসের হাত থেকে।

তথ্য সন্ত্রাসের মুল হোতা এই রাজিবুলকে প্রতিরোধ আজ সময়ের দাবী বলেও উল্লেখ করেন উপজেলার একাধিক কর্মকর্তা। রাজিবুল কর্তৃক পরিচালিত তথ্য সন্ত্রাস সমাজকে বিভ্রান্ত করে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটিয়ে রাষ্ট্রকে করছে প্রশ্নের মুখোমুখি। ফলে গণমানুষের জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রের উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড হচ্ছে বাধাগ্রস্ত। এটি স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মানে একটি বড় অন্তরায়-তার থেকে উত্তরণের জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা, জনপ্রতিনিধিসহ সকল ভুক্তভোগী মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় রাজিবুল কর্তৃক পরিচালিত অব্যাহত তথ্য সন্ত্রাস সমাজ এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ড স্থবির হয়ে পড়বে বলেও জানান, স্থানীয় অনেকে। এবিষয়ে রাজিবুলের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল নাম্বারে ফোন করলেও পাওয়া যায়নি। মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে ও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন

Comments are closed.




দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ © All rights reserved © 2025 Protidiner Kagoj |